• ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

আজ ইউএন এসকাপ-এর “এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবনের সুবিধা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রতিমন্ত্রী পলক

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত এপ্রিল ২২, ২০২৪
আজ ইউএন এসকাপ-এর “এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবনের সুবিধা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রতিমন্ত্রী পলক

ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (ইএসসিএপি) এর ৮০তম সম্মেলনে -এর “এজেন্ডা নং ২(এ) – মূল বিষয়: এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবনের সুবিধা এবং এজেন্ডা নং ৩: স্বল্পোন্নত দেশ, স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ এবং ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলির বিশেষ সংস্থা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

থাইল্যান্ডে অবস্থিত জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গঠিত কমিশনের ৮০তম অধিবেশন। পাঁচ দিনের এই অধিবেশনে যোগ দিতে সোমাবর (২২ এপ্রিল) ব্যাংককে অবস্থান করছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল ২০২৪) দুপুর ২ টায় ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (ইএসসিএপি) এর ৮০তম সম্মেলনের মূল প্রোগামে এজেন্ডা-২(এ) ও এজেন্ডা-৩ নিয়ে আলোচনায় সভাপতিত্ব করবেন প্রতিমন্ত্রী পলক।

তিন দিনের সফরের প্রথম দিন সোমবার সন্ধ্যায় ব্যাংককের এসকাপ হলে ইউএনসিসি প্রযুক্তি বিভাগের উপ-প্রধান মাইকেল মুডি’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। বৈঠকে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিক পলিসি, বাংলাদেশের পিডিপিএ, স্ট্যান্ডার্ড এআই পলিসি, নিরাপদ ড্রাইভিংয়ে এআই এর ভূমিকা এবং স্বাস্থ্য, লজিস্টিকস এবং পাওয়ার সেক্টরে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এছাড়াও, বাংলাদেশে এআই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এবং ই-কোয়ালিটি সেন্টার স্থাপনের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

এর আগে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে (ESCAP Hall) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবনের সুবিধা” শীর্ষক এই সম্মেলনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবনের সুবিধার নিশ্চিত করতে গৃহীত এজেন্ডা ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক পদক্ষেপকে শক্তিশালী করার একটি সুযোগ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে।