নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শীঘ্রই তার সরকারি বাসভবন হিসেবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে যমুনায় প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর যমুনায় ওঠার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পছন্দ এবং দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ডিসি মাসুদ আলম আরও বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব প্রধানমন্ত্রীর যমুনায় ওঠার সব ধরনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী সংস্কার কাজের বিষয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো ভবনে ওঠেন, তখন তার চাহিদা ও ডিজাইন অনুযায়ী কিছু সংস্কার প্রয়োজন হয়। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন কিছু কাজ করা হয়েছিল, তবে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে নতুন করে কিছু সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
যমুনা ভবনটি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবেই নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বৈঠক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও ব্যবহৃত হবে। ফলে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
যমুনা ভবনের অভ্যন্তরে ও চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
ডিএমপির রমনা বিভাগ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
রাষ্ট্রীয় অতিথিদের আগমন ও বৈঠকের জন্য ভবনটিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন করে গড়ে তোলা হচ্ছে।
খুব শীঘ্রই সংস্কার কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে যমুনায় তার কার্যক্রম শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।