ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক রাজকীয় ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ গ্রহণ শেষে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি করমর্দন করেন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি।
এবারের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আছে অনেক, যারা আগে কখনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি। প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেওয়া নেতাও আছেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আওয়ামীলীগ সরকারের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয় বিএনপি। সরকারবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়। এরপর দায়িত্ব নেয় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের অধীন গত বৃহস্পতিবার একটি উৎসবমুখর সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি।
ইতিমধ্যে তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বিভেদ ঘুচিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি
দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়ন, আইনের শাসন সুসংহত করা এবং দ্রুততম সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে কঠোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রনায়কোচিত এই দিকনির্দেশনা মূলক বার্তা দেশের সর্বস্তরের জনগণের মাঝে এক নতুন আশাবাদ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।”