বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধিদল মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, এমপির এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বিজিএমইএ এর প্রতিনিধিদলে ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আরশাদ জামাল (দীপু), সহ-সভাপতি মিরান আলী, সহ- সভাপতি আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, পরিচালক মোঃ ইমরানুর রহমান, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল সাদাত, পরিচালক শামস মাহমুদ, পরিচালক রাজীব চৌধুরী, পরিচালক মোঃ মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক শেহরিন সালাম ঐশী, পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম, ও পরিচালক সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী সাগর।
পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পণ্য বহুমুখীকরণ ও নতুন নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানি কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি ২০৩০ সাল নাগাদ তৈরি পোশাকখাত থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য অর্জনে বাজার বহুমূখীকরণ ও নতুন নতুন পন্যে রপ্তানি সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিগত ১৫ বছরে সরকারের নীতি সহায়তার ফলে নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানি ৮৪৭ মিলিয়ন ডলার থেকে ৮,৩৭০ মিলিয়ন ডলার হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। নতুন বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারা আরও বেগবান করতে বিজিএমইএ তিনি বেশকিছু বাজার, বিশেষ করে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ত ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে সেখানে আয়োজিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেলায় অংশগ্রহন, ক্রেতাদের সাথে নেটওয়ারিকং, রোড-শো আয়োজনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন। সেই সাথে তিনি এসকল সম্ভাবনাময় বাজারগুলোর সাথে দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক মুক্ত বানিজ্য চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।
বৈঠকে দেশের রপ্তানি বানিজ্যে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের সম্ভাব্য প্রভাব এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে শুল্কমুক্ত সুবিধাগুলো অব্যাহত রাখতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণলয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।
মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দেশের আর্থা-সামাজিক উন্নয়ন, ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পোশাকখাতের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নতুন নতুন বাজার তৈরি ও পন্য বহুমূখীকরনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষকরে আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে বাজার সম্প্রসারণের জন্য তাগিদ দেন এবং এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সেই সাথে তিনি এসব সম্ভাবনাময় বাজারে শুল্ক বাধা দূর করার জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে আলোচনা চলছে বলে অবহিত করেন।
মাননীয় মন্ত্রী বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলকে তার মন্ত্রনালয় থেকে পোশাক শিল্পকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।