• ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত: অলক সাহা সভাপতি ও বিনয় গোপাল রায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৬
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত: অলক সাহা সভাপতি ও বিনয় গোপাল রায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

রাজীব দে:

গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের (GBSPF) ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত ১৫ মে ২০২৬ (শুক্রবার) ঢাকার ঐতিহ্যবাহী গুলশান ক্লাবে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য একটি নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে শ্রী অলক সাহা সভাপতি, শ্রী বিনয় গোপাল রায় সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রী অপূর্ব কুমার সাহা কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের কল্যাণ সাধন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখতে বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনকে আরও গতিশীল করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আবদুস সাত্তার। তিনি তার বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের প্রতিটি সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে পূর্ণ শান্তি, মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে বসবাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন: শ্রী বিজন কান্তি সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ সহকারী। শ্রী তপন চন্দ্র মজুমদার, ভাইস চেয়ারম্যান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।
শ্রী জয়ন্ত কুমার দেব, সভাপতি, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি। শ্রী বাসুদেব ধর, সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের বক্তব্য ও আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সদস্যবৃন্দ নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাদের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে সামাজিক ও ধর্মীয় সেবামূলক কাজ আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।