টাইমস অব ইন্ডিয়ার ভাষ্যমতে নাসাতে কর্মরত বিজ্ঞানীদের মধ্যে শতকরা ৩৬ ভাগ বিজ্ঞানী হচ্ছেন ভারতীয় । নাসার প্রতি ১০ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে ৪ জন হচ্ছেন ভারতীয় ।
এছাড়া মাইক্রোসফটের মোট কর্মীর শতকরা ৩৪ ভাগ হচ্ছেন ভারতীয় ।
আইবিএমে ২৮ ভাগ আর ইন্টেলে রয়েছে ১৩ ভাগ ভারতীয় কর্মী ।
সাইন্টিফিক রিসার্চ ক্যাপাবিলিটিতে ভারতের হাত কতো লম্বা তার একটা সংক্ষিপ্ত প্রমান হতে পারে এই পরিসংখ্যানটি ।
কাশ্মীর ইস্যু বলেন
সীমান্ত ইস্যু বলুন
অথবা স্যাটেলাইট কালচারের কথাই ধরুন না কেন …
এই সবগুলো জায়গায় ভারত এডুকেশনাল কোয়ালিটিকে এমনভাবে কাজে লাগাচ্ছে যে দিনে দিনে সে একটা সুপার পাওয়ার হয়ে উঠছে ।
আমাদের ঢাবির কয়টা ছেলে নাসাতে আছে ভেবে বলুন তো ?
কয়টা ছেলেকে পাবেন একটা রিসার্চ ওয়ার্ক করে বাংলাদেশে ভাত পেয়েছে ?
রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সংগীত নিয়ে এতো চিৎকার চেচামেচি কেন সেটা জানেন ? আসলে আমাদের একজন রবি ঠাকুর নাই । অথবা থাকলেও আমরা তাকে সেভাবে মূল্যায়ন করতে শিখি নি ।
পলিটিক্স ছাড়া স্বাধীনতার এতোগুলো বছরে আপনার উত্তরণটা ঠিক কোন জায়গায় ? দেখাতে পারবেন ?
কয়টা ইনোভেশন আছে আপনার ?
কয়টা প্রফেসর এমিরেটাস তৈরি করতে পেরেছেন ?
কয়জন ইন্টারন্যাশনাল মানুষকে পরিচিত করাতে পারবেন যারা বাইরের দেশে গিয়ে বাংলাদেশকে পরিচিত করাতে পারবে ?
ইন্টারনাল ইস্যুতে ভারত বরাবরই নিজেদের নোংরামিগুলোকে লুকিয়ে বাইরের বিশ্ব জেন্টেলম্যান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে ।
নিজেদের মিডিয়া কালচার সমৃদ্ধ করেছে । বাইরে তাদের হয়ে কথা বলতে পারে এমন মানুষ তৈরি করেছে ।
শুধু ভারত নয় , আমেরিকার দিকেও দেখুন ।
ওখানে প্রতি বছরই অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে প্রচুর মানুষ মারা যায় । ঘরে ঢুকে রেইপের মতো ঘটনা ঘটে । বাংলাদেশে কি এরকম মাস কিলিং হয় ? অথচ আমরা কিনা ট্রাম্পের কাছে গিয়ে বিচার দিই । তার কাছে সাহায্য চাই ।
কিছু একটা হলেই ভারত পাকিস্তানের হস্তক্ষেপ কামনা করি ।
নিজেদের স্পাইন যে শক্ত করতে হবে এই ব্যাপারে আমাদের মাথা ব্যাথা নাই ।
সাস্টের ছেলে মেয়েরা নাসাতে যেতে পারে না ।
তাদের বদলে সেখানে গিয়ে বসে থাকে সরকারী আমলা । এই দেশে ক্লাস টেন পড়ুয়া মেয়ের ডেফিনেশন হলো । তার মিনিমাম দুই তিনটা বয়ফ্রেন্ড থাকতে হবে ।
আর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলের ডেফিনেশন হলো তাকে মিনিমাম ৫/৬ টা ছেকা খাইতে হবে । নইলে তুমি বিশ্ববিদ্যালয় পাস করো নাই ।
কাশ্মীরের মুক্তির জন্য আমরা যতোই আন্দোলন করি না কেন ,অপ্রিয় সত্যটা হলো বিশ্বের খুব কম দেশই বাংলাদেশকে গোনার মধ্যে ধরে । মেধা ও মননে সমীহ জাগানিয়া রাষ্ট্র আমরা এখনো হতে পারিনি ।
আর তাই সীমান্তে হত্যাকান্ড হলে আমাদেরকে পতাকা নিয়ে নামতে হয় , কেননা ওরা জানে ১০০ টা মানুষ মেরে ফেললেও একটা বাল ছেড়ার সাধ্য আমাদের নেই । অথবা থাকলেও সেটা কাজে লাগাতে আমরা অপরাগ ।
আমাদের দেশের ভেতরের ব্যাপারে বাইরের লোক এসে নাক গলাতে পারে । হাইকমিশনারদের তেল মারতে মারতে আমাদের জীবন শেষ হয় ।
এডাল্ট শর্ট ফিল্মের একটা কালচার ভারতে ইদানীং খুব প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে । একটু খেয়াল করে দেখুন এদের মূল দর্শক কারা । উত্তরটা হলো , বাংলাদেশি ইয়াং ছেলেপেলেরা । এগুলো আমাদের জন্যই তৈরি ।
ভারত সেটা তৈরি করে । আমরা এটা ইমপ্লিমেন্ট করি । বিশ্বাস হয় না ? তাহলে স্যাটেলাইট কালচারের দিকে তাকান । ভারতীয় সেলেব্রেটিদের কমেন্টবক্স গুলো দেখুন ।
কাশ্মীর আজাদ হবে কি হবে না সেটা বলতে পারি না ।
তবে মেধা আর মননে বাংলাদেশের আজাদিটা খুব জরুরী