পরিতাপের সাথে আমরা জানাতে চাই গত ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামু সহ দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ পল্লী ও উপাসনালয়ে ফেসবুকে পবিত্র কোরআন অবমাননা করার অভিযোগে মনুষ্যত্ব বিবর্জিত সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী একদল ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী বৌদ্ধ পল্লী, বৌদ্ধ বিহার,ধর্মীয় উপাসনালয় ও পুরাকীর্তি ও ঐতিহাসিক সম্পদ হামলা- অগ্নি সংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের রাখাইন সম্প্রদায়ের একমাত্র জাতীয় সংগঠন রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দিয়ে হাজার বছরের সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি রেখেছিলাম।
সেই ২০১২ সালের ভয়াবহ আঘাতের চিহ্ন শুকাতে না শুকাতে পুনরায় ৫ জানুয়ারি, ২০২৪ রামুর সদরে রাখাইনদের তিনশত বছরে পুরনো ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্য বাহী রামু চেরাংঘাটা রাখাইনদের উ সাইন সেন (বড় ক্যাং) আগুনে পুড়িয়ে স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত বৌদ্ধ বিহারকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল দেশের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগ মুহূর্তে অশান্তি পরিবেশ তৈরী করতে। এলাকার জনসাধারণ ও ফায়ার সার্ভিসের জরুরি হস্তক্ষেপে বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত থেকে রেহাই পায়।
মনুষ্যত্ব বিবর্জিত সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর উপর বারবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের চিহ্নিত ও ৫ জানুয়ারী, ২০২৪ ঘটনার জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র জাতীয় সংগঠন রাখাইন বুডিষ্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মংছেন লা ও মহাসচিব মং হলা চিং নিন্দা জানিয়েছেন ও অতিদ্রুত সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ শাস্তি দাবি করেছেন। তথা বাংলাদেশের রাখাইন সম্প্রদায় জোর দাবী রাখছি এবং নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।