নানা বাধা, ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে এবং ‘পরিবর্তনে অঙ্গীকারাবদ্ধ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সফলতার ২৬ বছর পূর্ণ করলো দেশের প্রথম বেসরকারি টেরিস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। দীর্ঘ আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই গণমাধ্যমটি আজ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২৭ বছরে পদার্পণ করেছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণ উদযাপনে রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশে টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশে কেক কাটা হয়। একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুস সালাম প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এই আনন্দ ভাগ করে নেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একুশে পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন:
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহাদী।দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুস সালাম বলেন, “একুশে টেলিভিশন সবসময় সত্যের পক্ষে কথা বলেছে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো পরিস্থিতিতে সত্য প্রকাশে একুশে টিভি কখনো পিছপা হবে না।”
একুশের ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসনোভা মাহবুব সালাম অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দর্শকদের ভালোবাসা ও কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমই আজকের এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। আগামীতে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব সাংবাদিকতার সংকল্প ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিকাশে একুশে টেলিভিশনের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, অতীতের ন্যায় আগামীতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং সুস্থ সংস্কৃতির ধারক হিসেবে একুশে টেলিভিশন তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখবে। রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রত্যাশা করেন, তথ্য ও বিনোদনের পাশাপাশি একুশে টেলিভিশন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও জাতি গঠনে স্মরণীয় ভূমিকা পালন করে যাবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বারবার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হলেও একুশে টেলিভিশন তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি, যা দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।