দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২২-০৯-২০২৫ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২২-০৯-২০২৫ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫
অভিযান ০১: যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে অকেজো মালামাল বিক্রয়ের নিলামে অসাধু যোগসাজশে সর্বোচ্চ দরদাতার পরিবর্তে চতুর্থ ব্যক্তিকে কার্যাদেশ প্রদান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, যশোর হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয় হতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহের নিমিত্ত অধিযাচনপত্র দেওয়া হয় এবং বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপকের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনকালে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে মর্মে টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রাপ্তি ও পর্যালোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশন বরাবর যথাযথ সুপারিশসহ টিম পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
অভিযান ০২: কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুষ্টিয়া হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের শুরুতে টিম কিছু সময় ছদ্মবেশে অবস্থান করে এবং পরবর্তীতে প্রকাশ্যে অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় রেজিস্টিকৃত দলিলের দাতা ও গ্রহীতার নিকট অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং রাজস্ব খাতের টাকা যথাযথভাবে জমা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হয়। এছাড়া দলিল করতে আসা সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয় এবং অফিস হতে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণসাপেক্ষে টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
অভিযান ০৩: চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে টিম প্রথমে ছদ্মবেশে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে আউটডোর ও ইনডোর সেবাদান পদ্ধতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় চিকিৎসক ও স্টাফদের উপস্থিতি, রোগী ভর্তি ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের পদ্ধতি, রোগীদের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতা সরাসরি শ্রবণ করা হয়। একই সঙ্গে ভর্তিকৃত রোগীদের ওয়ার্ডে গিয়ে সেবার মান, পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা যথাযথভাবে পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালের বিভিন্ন রেকর্ডপত্রও পর্যালোচনা করে এবং অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্যের সাথে তা মিলিয়ে দেখে। অভিযানের সময় হাসপাতালের অভ্যন্তরে অপরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করার চিত্র স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে মর্মে প্রতীয়মান হয়। অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্যাবলি ও সংগৃহীত রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদন দাখিল করবে।