রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে সোমবার ২৬ আগষ্ট,২০২৪ ইংরেজী সকাল ১০ ঘটিকার সময় বৃহত্তর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন রিকশা মালিক ঐক্যজোট এর আহ্বানে ঢাকায় পায়ে চালিত রিকশা পেশাজীবীদের ৭ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে এক গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। জোটের সভাপতি জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম (মাসুম) এর সভাপতিত্বে বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মমিন আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী প্রদীপ কুমার ভৈৗমিক, সহ-সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি মোঃ জসিম মাতবর ও প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। উক্ত গণজমায়েত থেকে ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
৭ দফা দাবি সমূহ নিম্নরুপ:
১। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে বিদ্যমান মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী রাজধানীতে চলাচলরত বৈধ লাইসেন্সধারী পায়ে চালিত রিক্সাকে শৃংখলায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ধ্বংশকারী, যানজট সৃষ্টিকারী মানুষ মারারকল, ব্যাটারী চালিত রিক্সা রাজধানী থেকে উচ্ছেদ করার সদয় নির্দেশ প্রদান করতে হবে।
২। বৈষম্যদুরীকরণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ন্যায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন থেকে মালিকানা লাইসেন্স প্রদান করতে হবে।
৩। বৈষম্যদুরীকরণে সিটি কর্পোরেশনের আইনে গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ সকল এলাকায় পূর্বের ন্যায় পায়ে চালিত রিক্সা চলাচলের সুযোগ দিতে হবে।
৪। সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য রিক্সা পেশাজীবিদের ব্যবসায়ী ট্রেড লাইসেন্স দিতে হবে।
৫। ডিসিসি এর উত্তর, দক্ষিন কার্যালয়সহ সকল জোনাল অফিস থেকে রিক্সা চালকের চালক লাইসেন্স দিতে হবে। রিক্সা ৫ চালকদের সন্তানদের যোগ্যতা অনুযায়ী সকলক্ষেত্রে চাকুরী দিতে হবে। বিগত এরশাদ সরকারের আমলে আন্দোলনরত রিক্সা চালকের উপর পুলিশের গাড়ী চাপায় নিহত চালকদের নামে ঢাকা নয়া বাজারে শ্রমজীবি হাসপাতাল ছিল বৈষম্যকারী সরকার উহার নাম পরিবর্তন করেছে। অবিলম্বে সেই হাসপাতালটি পূর্বের নামে নামকরণ করতে হবে।
৬। এককালে বাঙালী মুল্লুকে বাহন হিসেবে পালকী, নৌকা, ঘোড়ার গাড়ী এর মত প্রাচীন রিক্সাকে জাতিয় যাদুঘরসহ ডিসিসিএর উত্তরের ন্যায় দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে স্থান দিতে হবে। । সাম্প্রতিককালে বৈষম্যবিরোধী ৭
আন্দোলনে যে সকল বীরেরা শহিদ হয়েছে এবং সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাসা বাড়ীতে আহত অবস্থায় আছেন তাদের সঠিক তালিকা করে বিগত সরকারের আমলে দূর্নীতিবাজদের অর্থ সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ করে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসাসহ সার্বিকভাবে জরুরী পূর্নবাসন করতে হবে।