বাংলাদেশের প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতে সম্প্রতি বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে পুরোহিত কতৃক কটুক্তি এবং বিজেপি নেতার সমর্থন ও মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে। বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
বায়তুল মোকাররমে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর এই বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।পরে শান্তিনগর মোড় প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় যাত্রা বিন্দুতে এসে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, মহানবি (সা.)-এর অপমান মেনে নেব না। অতিদ্রুত কটূক্তিকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।আমরা আজ প্রতিবাদ করছি, কাল দেশের প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান সারাদেশে কটূক্তির প্রতিবাদ করবে।
শুক্রবার দুপুরবেলা বাদ জুম্মা বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে থেকে ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে মুসল্লীরা।
এ সময় বক্তারা আরও বলেন, কোনো ধর্মই অন্য ধর্মকে কটূক্তি করার শিক্ষা দেয় না।মানবতার শ্রেষ্ঠ মহামানব মোহাম্মদ (সাঃ)-কে অপমান করা মানবতাবাদী আদর্শকে অপমান করা। প্রকৃত মুমিনরা কখনও উগ্রবাদকে ছাড় দেয় না। রাসূল (সা.) নিয়ে যারা কটূক্তি করে তারা গোটা মুসলিম উম্মার দুশমন। পৃথিবীর মুসলিমরা তাদের গায়ে একবিন্দু রক্ত থাকতে এই কটূক্তির অপমান সহ্য করবে না। এসময় ভারতীয় পণ্ডিত ও বিজেপি নেতার এই ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের জন্য মুসলিম উম্মার কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা এসময় ক্ষোভের সাথে বলেন, ভারতের বিতর্কিত ধর্মীয় প্রচারক রামগিরি মহারাজ মহারাষ্ট্রের এক ধর্মীয় সভায় রাসূল (সা.) ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছেন।এছাড়াও মসজিদে ঢুকে মুসলিমদের ওপর হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছেন ঐ কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতা।রাজ্যের এক বিজেপি নেতা সমর্থন দিয়েছেন।
এসময় বক্তারা দেশের জনগণকে ভারতীয় পণ্য বর্জনের জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতিও আহ্বান জানান বক্তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন সবাই মিলে ভারতের বিরুদ্ধে সবাইকে রাষ্ট্রীয় প্রতিবাদ জানাতে হবে।অন্তবর্তী সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে তারা আরও বলেন, আপনারা ক্ষমতায় আছেন,এখনও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রকাশ করেননি এখনো।এছাড়া ও দেশের বিভিন্ন স্হানে মিছিল ও সভা,সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।