আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আবু নাছের শেখ
আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আবু নাছের শেখ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ১, ২০২৬
সম্প্রতি রাজধানীর মেরিডিয়ান হোটেলে আয়োজিত হয় ‘আরাফাত রহমান কোকো অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কো-অর্ডিনেটর ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাছের শেখ। অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট ও ট্রাস্টের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
আবু নাছের শেখ জানান, আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতি ধরে রাখতে প্রায় ১০ বছর আগে লন্ডনে একদল বন্ধুর উদ্যোগে এই ট্রাস্ট গঠন করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ট্রাস্টের মাধ্যমে ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এখন সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আরাফাত রহমান কোকোর অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে ক্রিকেটের উন্নয়নে উৎসর্গ করেছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান এবং পুরানো ডিওএইচএস ক্লাবের দায়িত্ব পালনকালে শাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ আশরাফুলসহ অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটারের উঠে আসায় তিনি ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া সিলেট স্টেডিয়ামসহ দেশের বেশ কিছু ক্রিকেট অবকাঠামো নির্মাণেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে।
আবু নাছের শেখ জানান, ট্রাস্টের কার্যক্রম এখন কেবল ক্রিকেটে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ফুটবল, কাবাডি, আর্চারি ও ব্যাডমিন্টনসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সকল খেলায় এই ট্রাস্ট কাজ করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপ্রেরণায় ও নির্দেশনায় দেশের তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদে ক্রীড়াবিদদের সহায়তার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় মূলধারায় আসতে পারে না। তাদের প্রতিভা বিকাশে ট্রাস্ট কাজ করবে। সম্প্রতি সিলেটের একটি গ্রামে ফুটবলারের দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামীতে এমন পরিকল্পনা আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে।
ট্রাস্টের কার্যক্রমে সরকারি সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া বিপিএল-এর আদলে সারা দেশে লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা উঠে আসতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী রমজানের ঈদের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে টি-টোয়েন্টিসহ বিভিন্ন খেলার আসর শুরু করা হবে।