নিজস্ব প্রতিবেদক :: জুড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত গতকাল সোমবার(১২ ই অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় উপস্হিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্বা এম এ মোঈদ ফারুক, ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ, জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সন্ঞ্জয় চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ চেয়ারম্যান, দূর্ণীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম, পূর্বজুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ, পশ্চিমজুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাশ,গোয়ালবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমদ লেমন, জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিলাদ চৌধুরী, সাগরনাল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জুনেদ আহমদ, বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনসারুল কবির শামীম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মন্তোষ কুমার দেবনাথ, যুদ্বাহত মুক্তিযোদ্বা আব্দুস সহিদ চৌধুরী খুশি, তৈয়বুননেছা খানম সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অরুন চন্দ্র দাশ, জুড়ী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শীতাংশু শেখর দাশ, শাহখাকী (রঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাঃ ইয়াকুব আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইসহাক আলী, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মামুনুর রশীদ সাজু, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম, সোনারুপা চা বাগান ব্যবস্হাপক মালিক নেওয়াজ, ধামাই চা বাগান ব্যবস্হাপক গোপাল শিকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ভূইয়া প্রমূখ। সভায় গত ১১ ই অক্টোবর সোনারুপা চা বাগানে শ্রমিকদের সাথে বাগান কর্তৃপক্ষের মধ্যে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ দেন।অভিযোগের কারণে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষের কথা ইউপি চেয়ারম্যানগণ তুলে ধরে বলেন, মামলা হলে পরিস্হিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। সামনে দূর্গাপুজা, বাগান যে কোনো কারণে বন্ধ হলে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যেতে পারে। বাগান ব্যবস্হাপক মালিক নেওয়াজ কে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, আমার ইউনিয়নে সমস্যা হচ্ছে আমি জানিনা। আমাকে না জানিয়ে তাদের পার্সেন্টিসে আঘাত লাগায় অর্থাৎ ৫ লক্ষ টাকার ভাগ বাটোয়ারায় ঝামেলা হওয়ায় থানায় শ্রমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। বাগান কর্তৃপক্ষ ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন এলজিইডি’র রাস্তায় মানুষ চলাচলের সময় অবৈধভাবে নির্মিত গেইটে খাতায় স্বাক্ষর দিতে হয়। ২৮ সপ্তাহ বাগান বন্ধ ছিল তখন আমাদেরকে সমন্বয়ের জন্য দরকার হয়েছিল।এখন সামান্য বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমাদেরকে আর প্রয়োজন নেই। মালিক নেওয়াজ ধামাই চা বাগানে থাকাবস্হায় সে ৩ মাস অবরুদ্ব ছিল। আমি তাকে সহযোগিতা করেছি। সভায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহ সকল অপরাধ দমন করতে সভার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম ও জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সন্ঞ্জয় চক্রবর্তী আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিধি মেনে শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনের জন্য সকল জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগিতা করেন।
সিরাজুল ইসলাম / দৈনিক হাকালুকি