মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ‘ঈদ-উল আযহা’। আনন্দঘন ও মহিমান্বিত এই দিন উপলক্ষ্যে আমি দেশে ও বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, সকল পদবির সৈনিক, অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং তাদের পরিবারবর্গকে জানাই আমার আন্তরিক ‘ঈদ মোবারক’।
ঈদের এই পবিত্র দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি সেইসব বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা। আমি আরও স্মরণ করছি তাঁদের, যাঁরা মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন অভিযানে এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য নিজেদের প্রাণ অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। আজকের এই মহান দিনে আমি সকল শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আনন্দঘন এই দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় যে সকল সেনাসদস্য কর্তব্যের প্রয়োজনে পরিবার থেকে দূরে কর্মস্থলে অবস্থান করছেন এবং যারা বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে বিদেশের মাটিতে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁদের ও পরিবারবর্গকে জানাই আমার ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র আনন্দ ও ত্যাগের অনন্য মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক আমাদের সামরিক জীবন। সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হোক, সকলের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হোক পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ মহান রাব্বুল আলামিন এর নিকট এই কামনা করছি।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের সহায় হোন। আমিন।ওয়াকার-উজ-জামান জেনারেল সেনাবাহিনী প্রধান।