জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৫ বছর নির্ধারণ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বৈষম্যমূলক, বাদী ও আবেদনকারীর দাবির প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটির পূর্ণ সমর্থন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারণের বিরুদ্ধে বান্দরবান-৩০০ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু) কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদন ও আইনগত উদ্যোগের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করছে। হিউম্যান রাইটস সোসাইটি মনে করে, এই বয়সসীমা বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত সমতা ও মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের মূল দর্শনের পরিপন্থী। ১৮ বছর বয়সে ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অধিকার স্বীকৃত থাকলেও সংসদে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ অস্বীকার করা তরুণদের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রজন্মগত বৈষম্যের শামিল, যা স্পষ্টভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন বাদী/আবেদনকারী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু), সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী (সার্বজনীন), বান্দরবান-৩০০, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর নির্ধারণকে অসাংবিধানিক, বৈষম্যমূলক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘোষণা করে বয়স সংশোধনের নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদন দাখিল করেছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটি এই আবেদনকে যৌক্তিক, সময়োপযোগী এবং মানবাধিকারসম্মত উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং আবেদনকারীর সাংবিধানিক ও আইনগত লড়াইয়ের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে। হিউম্যান রাইটস সোসাইটি মনে করে, যেখানে একজন ১৮ বছর বয়সী নাগরিক রাষ্ট্র পরিচালনায় ভোট দিতে পারে, সেখানে তাকে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা সমতা, মানবাধিকার ও প্রজন্মগত ন্যায়বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটির আহ্বান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটি-
মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)-এর দাখিলকৃত আবেদন ও আইনগত পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে;
নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও মহামান্য আদালতের নিকট মানবাধিকার ও সাংবিধানিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করছে;
সকল রাজনৈতিক দল, যুব সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, দূতাবাস, গুণীজন এবং গণমাধ্যমকে এই ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। যেহেতু তরুণদের বাদ দিয়ে টেকসই গণতন্ত্র ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়, এই উপলব্ধিই এই বিবৃতির মূল বক্তব্য।